কক্সবাজার হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের বদলী ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোটার

কক্সবাজার সদর তত্ত্বাবধয়াক ডা. মোমিনুর রহমানের অণিয়ম দূনীতি, সেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন কক্সবাজারের সংক্ষুদ্ধ সচেতন নাকরিকবৃন্দ। সোমবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় সদর হাসপাতালের স্টাফসহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতাল সুপারের ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন সময় মিথ্যা ভাবে মামলা দিয়েছেন। মাসের পর মাস কামলা হিসেবে ব্যবহার করে বেতন লুট করেছেন ডা. মোমিনুর রহমান। এছাড়াও হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারীদের

অমানষিক নির্যাতন করতেন তত্ত্বাবধয়াক ডা. মোমিনুর রহমান।

মাববন্ধনে বক্তারা বলেন, লোকলজ্জার ভয়ে যৌন হয়রানির বিষয়গুলো প্রকাশ্যে আনতে পারছে না নারী স্টাফ ও চিকিৎসকরা। হাসপাতালে কর্মরত স্টাফ একটু সুন্দর হলেই কু-নজর পড়তো হাসপাতাল সুপার মোমিনুর রহমানের। পরে তাকে বিভিন্ন উপায়ে বাধ্য করতো তার কক্ষে এবং কলাতলীর তার বাসায় যেতে।

মানবন্ধনে উপস্থিত অনেকেই বলেছেন, কক্সবাজার সদর হাসপাতালে কর্মরত স্টাফ নার্স ছাড়াও সরকারী-বেসরকারী অনেক নারী চিকিৎসক যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। ইতিমধ্যে কক্সবাজারের স্বনামধন্য গাইনী চিকিৎসক সরকারী চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। আমাদের প্রমাণ আছে আরেক নারী চিকিৎসককে ফেসবুকে বিভিন্ন সময় যৌন হয়রানি করতেন। স্বামী বাসায় আছে কিনা জিজ্ঞেস করেই ভিডিও কল করার বাধ্য করতেন তত্ত্বাবধয়াক ডা. মোমিনুর রহমান। যদি কোন সময় কল না ধরে তাহলে পরদিন অফিসে কক্ষে নিয়ে গিয়ে মানষিক নির্যাতন করতেন। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের সবোচ্চ কর্মকর্তা হয়েও তিনি অনৈতিক কমকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। কিছুদিন আগেও টেন্ডাবিহীন ২ ট্রাক মালামাল বিক্রি করার সময় ধরা পড়ে বিক্রিত মালামালগুলো ফেরত এনেছেন তত্ত্বাবধয়াক মোমিনুর রহমান। সেই ঘটনায় নিজে বাঁচতে অসহায় ও নির্দোষ মোহাম্মদ আরমানকে আসামী করা হয়। এছাড়াও শতশত অভিযোগ রয়েছে তত্ত্বাবধয়াক ডা, মোমিনুর রহমানের। মানবন্ধনে স্টাফসহ অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আরমান, নুরু উদ্দিন, ফারভেজ, এনাম, রফিক, সাইফুল, এণ্টন চাখমা, সুজন, মহিলাদের মধ্যে, পাখি আক্তার, বেবি ধর, মিনু শিল, নিলো ধর, লক্ষী ধরসহ আরো অনেকেই।

Leave A Reply

Your email address will not be published.