কক্সবাজার শহরের শীর্ষ ছিনতাইকারী ‘বাপ্পি’ বেপরোয়া, নিরব প্রশাসন

স্টাফ রিপোর্টার, সিবিটুয়েন্টিফোর নিউজ

আবু হেনা বাপ্পি। অস্ত্র, ডাকাতিসহ ৫টিরও অধিক মামলা রয়েছে। যেকোন জমি দখলে ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে ভাড়া যায় এই যুবক। আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হয়ে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে আরো ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। বাড়ির পাশর্^বর্তী লাইটহাউস পাড়া, সৈকত এলাকায় হওয়ার যেকোন অপরাধ করেই বাড়ি চলে যায়। তবে এসব বিষয় প্রতিবাদ করায় তার বাবা-মাকেও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে এই ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে। শহরের ফাতেরঘোনা এলাকার আবু তালেবের ছেলে বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ চরম ক্ষুদ্ধ হয়েছে। প্রতিদিন কোন না কোন ঘটনা ঘটিয়ে এলাকার বদনাম করছে। কেউ প্রতিবাদ করলে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করছে।
ওই এলাকার বাসিন্দা ওবায়দুল হক জানান, আবু হেনা বাপ্পির পকেটে ধারালো ছুরি তাকায় কেউ প্রতিবাদ করে না। সমাজের মানুষ, এলাকার মানুষ সবাই তার অত্যাচারে অতিষ্ট।
এদিকে বাপ্পি বাবা আবু তালেব বলেন, ‘আমার নিজের ছেলে হয়ে আমি তার যন্ত্রণা সহ্য করতে পারছি না। প্রতিদিন কোন না বিচার আসছে। আমি এতো মানুষ কি জবাব দিবো? ছেলেকে না পেয়ে অনেকেই বাবাকে মারধর করছে। এবং এসব চুরি-ছিনতাই ও ডাকাতির কথা ছেলেকে বললে উল্টো ছেলে বাপ্পি বাবা আবু তালেব ও মাকে বেদড়মক মারধর করছে। এদিকে, ছেলের অন্যায়ের কথা কক্সবাজার সদর মডেল থানায় বারবার গেলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি সদর মডেল থানা। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আবু তালেব বাবার আকুল আবেদন, আবু হেনা বাপ্পিকে গ্রেফতার করে হলেও তার পরিবারকে একটু শান্তি থাকতে দিন।
সূত্র মতে, গত ১৯ নভেম্বর শহরের নতুন বাহার ছড়া এলাকার মামুনুর রশিদের মালিকানাধীন একটি দোকান থেকে অভিনব কায়দায় মোবাইল চুরি করে নিয়ে এসেছে আবু হেনা বাপ্পি। ওই দিন সাগরে ট্রলার যেতে মালামাল দেয়ায় দোকানদার মামুন ব্যস্ত ছিলেন। ওই সময় কিছু বুঝে উঠার আগেই তার মোবাইলটি চুরি করে নিয়ে যায় আবু হেনা বাপ্পি। তবে তার সিসি টিভি ফুটেজে সব ধরা পড়ে। এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আলাদিনের চেরাগ নামে একটি ফেইজ থেকে ছাড়া হলে এটি ভাইরাল হয়ে যায়।
আবু হেনা বাপ্পির অত্যাচারে অতিষ্ট লোকজন পুলিশ, র‌্যাবের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.